Home » তুরস্কে ইরানি হামলার হুমকি, খাবার বহনকারী ট্রাকে চেপে গোপন বিমানে ফিরলেন ট্রাম্প!

তুরস্কে ইরানি হামলার হুমকি, খাবার বহনকারী ট্রাকে চেপে গোপন বিমানে ফিরলেন ট্রাম্প!

Warning: Camera accessories you shouldn’t buy cheap

by adminMrittka
0 comments

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলন শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর নিরাপত্তা-কাহিনি। ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় ট্রাম্পকে গোপনে তাঁর নির্ধারিত এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে সরিয়ে একটি ছোট সামরিক বিমানে তোলা হয়েছিল বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে ৮ জুলাই, আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের পর। প্রকাশ্যে জানানো হয়েছিল, ট্রাম্প পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ানেই তুরস্ক ছাড়বেন। কিন্তু বিমানে ওঠার কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে একটি ক্যাটারিং বা খাবার সরবরাহকারী ট্রাকের মাধ্যমে গোপনে অন্য একটি সামরিক বিমানের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তিনি ছোট C-32A সামরিক বিমানে করে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা দেন।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের প্রেস পুল এবং হোয়াইট হাউসের বেশ কিছু কর্মী পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ানেই থেকে যান। সেই বিমানটি কার্যত একটি ‘ডিকয়’ বা বিভ্রান্তিমূলক বিমান হিসেবে আকাশে উড়ে যায়, যাতে ট্রাম্পের প্রকৃত অবস্থান সহজে শনাক্ত করা না যায়।

কেন এমন গোপন অপারেশন?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এমন একটি সম্ভাব্য হুমকির তথ্য পেয়েছিল, যাতে আঙ্কারা বিমানবন্দর ছাড়ার সময় ট্রাম্পের বিমানের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার আশঙ্কা ছিল। নিরাপত্তা সংস্থা ও সামরিক কর্তারা তাই শেষ মুহূর্তে তাঁর যাত্রাপথ বদলের সিদ্ধান্ত নেন।

ট্রাম্প নিজেও পরে স্বীকার করেন যে তাঁকে অন্য বিমানে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক কর্তৃপক্ষ। তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে বহু হুমকি রয়েছে এবং ওই সময় নিরাপত্তার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তবে এই গোটা ঘটনায় আরও একটি প্রশ্ন উঠেছে—যদি ট্রাম্পের জন্য নির্দিষ্ট বিমানটি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তাহলে সেই বিমানে থাকা সাংবাদিক, কর্মী ও অন্যান্য আধিকারিকদের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছিল?

এদিকে, ট্রাম্পের এই গোপন বিমান বদলের খবর প্রকাশ্যে আসার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ শুরু হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও তৈরি হয়েছে নানা মিম ও আলোচনা।

অর্থাৎ, ‘সর্বশক্তিমান’ মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিদেশ সফরেও যে নিরাপত্তার ঝুঁকি কতটা গভীর হতে পারে, আঙ্কারার এই গোপন বিমান বদলের ঘটনা তারই এক নাটকীয় উদাহরণ। তবে ইরানের হামলার পরিকল্পনার গোয়েন্দা তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল, তা নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা মহলেও প্রশ্ন রয়েছে।

Leave a Comment