Heading Title
বাজার সূত্রে খবর, সরবরাহ কমে যাওয়া এবং উৎসবের মরশুমকে কেন্দ্র করে চাহিদা বৃদ্ধির জেরেই চিনির দামে বড়সড় উত্থান হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে খুচরো বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম প্রায় ৫২ টাকা থেকে বেড়ে ৬২ টাকার আশপাশে পৌঁছেছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিনির এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ছে বেকারি ও মিষ্টান্ন শিল্পে। কেক, বিস্কুট, পেস্ট্রি, মিষ্টি-সহ বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে চিনির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচও বাড়ছে। শিল্পমহলের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে অনেক ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী উৎপাদন কমাতে বাধ্য হতে পারেন। কর্মসংস্থান নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
চিনির বাজার স্থিতিশীল রাখতে ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। bulk sugar consumers-এর জন্য মজুতের সীমা ৩০ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন করা হয়েছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকার কথা।
এর পাশাপাশি, চিনির দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ১০ লক্ষ মেট্রিক টন কাঁচা চিনি শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দিয়েছে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই আমদানির সুযোগ থাকবে। প্রায় এক দশক পর এই প্রথম এত বড় পরিমাণে কাঁচা চিনি আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
সরকারের এই পদক্ষেপে বাজারে সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে আমদানি করা চিনি বাজারে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহে চিনির দাম কতটা কমে, সেই দিকেই নজর ব্যবসায়ী মহলের।
সব মিলিয়ে, উৎসবের মরশুমে যখন মিষ্টি ও বেকারি পণ্যের চাহিদা বাড়ার কথা, ঠিক সেই সময় চিনির মূল্যবৃদ্ধি শিল্পের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রণে না এলে শেষ পর্যন্ত তার প্রভাব পণ্যের দামেও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুতরাং, চিনির বাজারে সরবরাহ ও দামের পরিস্থিতি আগামী দিনে শুধু সাধারণ ক্রেতাই নয়, বেকারি ও মিষ্টান্ন শিল্পের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে।
- মাঝ আকাশে সহ-পাইলটের হামলা! রক্তাক্ত হয়েও ককপিটের দরজা খুলে ১৭৪ যাত্রীদের প্রাণ বাঁচালেন ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার
- শাহরুখের মন্নতে জোড়া সাপের হানা! একটি উদ্ধার, অন্যটির এখনও খোঁজ নেই!
- কেজরিওয়ালের পর রেখা গুপ্তাকেও SIR নোটিস! কী বলল নির্বাচন কমিশন?
- ১৫ অক্টোবর থেকে UPI-তে বড় বদল! ₹২,০০০-এর বেশি পেমেন্টে MDR, গ্রাহককে কি দিতে হবে চার্জ?

