Home » অন্নপূর্ণার ৩,০০০ টাকা নিয়ে দক্ষিণ বারাসাত স্টেশনে মহিলাদের মুখে কী প্রতিক্রিয়া? শুনুন তাঁদের কথা

অন্নপূর্ণার ৩,০০০ টাকা নিয়ে দক্ষিণ বারাসাত স্টেশনে মহিলাদের মুখে কী প্রতিক্রিয়া? শুনুন তাঁদের কথা

Warning: Camera accessories you shouldn’t buy cheap

by adminMrittka
0 comments

Heading Title

পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণ বারাসাত: অন্নপূর্ণা যোজনার ৩,০০০ টাকা ঘিরে রাজ্যের মহিলাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। কোথাও টাকা ঢোকার খবর পেয়ে খুশি উপভোক্তারা, আবার কোথাও এখনও টাকা না আসায় উঠছে নানা প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ বারাসাত স্টেশন চত্বরে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে মহিলাদের সঙ্গে কথা বললে উঠে এল নানা অভিজ্ঞতা ও প্রতিক্রিয়া।

সরকারি প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মহিলাদের মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তার কথা জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যের বহু উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই টাকা পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি কিছু আবেদনকারীর ক্ষেত্রে কাগজপত্র, আধার সংক্রান্ত তথ্য বা ব্যাঙ্কের তথ্য যাচাইয়ের কারণে টাকা পেতে দেরি হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে।

দক্ষিণ বারাসাত স্টেশনে কথা বলতে গিয়ে একাধিক মহিলা জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার ৩,০০০ টাকা তাঁদের পরিবারের জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সংসারের দৈনন্দিন খরচ, ওষুধ, বাজার-সদাই কিংবা সন্তানদের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে এই অর্থ কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে বলে তাঁদের মত।

তবে সকলের অভিজ্ঞতা এক নয়। কয়েকজন মহিলা জানান, তাঁরা আবেদন করেছেন এবং টাকা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। আবার কেউ কেউ অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে কি না, তা নিয়ে নিয়মিত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল মেসেজ পরীক্ষা করছেন। টাকা না এলে কী কারণে আটকে রয়েছে, সেই বিষয়েও প্রশাসনের কাছ থেকে পরিষ্কার তথ্য চান তাঁরা।

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার ও DBT সংক্রান্ত তথ্য সঠিক থাকা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় অন্নপূর্ণা প্রকল্প নিয়ে আলাদা পোর্টাল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার কথাও প্রকাশ্যে এসেছে।

এদিকে সাম্প্রতিক আপডেট অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে এখনও কিছু উপভোক্তার মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা আবেদন করেও টাকা পাননি, তাঁদের মধ্যে প্রশ্ন—কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৩,০০০ টাকা?

দক্ষিণ বারাসাত স্টেশনের মহিলাদের কথাতেও সেই একই প্রত্যাশা এবং প্রশ্নের প্রতিফলন দেখা গেল। তাঁদের বক্তব্য, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যদি তাঁদের প্রাপ্য হয়, তাহলে টাকা পাওয়ার প্রক্রিয়াটি যেন দ্রুত ও স্বচ্ছ করা হয়। কোনও সমস্যা থাকলে কী কারণে টাকা আটকে রয়েছে, সেটাও যেন সহজভাবে জানানো হয়।

সব মিলিয়ে, অন্নপূর্ণা যোজনার ৩,০০০ টাকা নিয়ে দক্ষিণ বারাসাতের মহিলাদের মধ্যে যেমন আশার ছবি রয়েছে, তেমনই রয়েছে টাকা পাওয়া নিয়ে অপেক্ষা ও প্রশ্ন। প্রকল্পের টাকা সবার অ্যাকাউন্টে কবে এবং কীভাবে পৌঁছয়, এখন সেদিকেই নজর উপভোক্তাদের।

You may also like

Leave a Comment