Home » ম্যাগনেশিয়াম গামি খাচ্ছেন? সাবধান! অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্টে হতে পারে বড় বিপদ

ম্যাগনেশিয়াম গামি খাচ্ছেন? সাবধান! অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্টে হতে পারে বড় বিপদ

Warning: Camera accessories you shouldn’t buy cheap

by adminMrittka
0 comments

Heading Title

বর্তমানে স্বাস্থ্যসচেতনতার ট্রেন্ডে ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ঘুম ভালো করা, পেশির টান কমানো, স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ কিংবা শরীরে ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি পূরণের জন্য অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই বিভিন্ন ধরনের ম্যাগনেশিয়াম গামি, চিউয়েবল ট্যাবলেট বা সাপ্লিমেন্ট খাচ্ছেন। দেখতে ও খেতে অনেকটা টফির মতো হওয়ায় এগুলি নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাসও তৈরি হয়ে যেতে পারে।

কিন্তু সমস্যা হল, প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত ম্যাগনেশিয়াম গ্রহণ শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে সাপ্লিমেন্ট থেকে অতিরিক্ত ম্যাগনেশিয়াম গেলে ডায়রিয়া, পেটের অস্বস্তি, বমি বমি ভাব এবং পেটে ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কেন অতিরিক্ত ম্যাগনেশিয়াম বিপজ্জনক?

ম্যাগনেশিয়াম শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খনিজ। পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ, রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণসহ শরীরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় এর ভূমিকা রয়েছে। সাধারণত সুষম খাবার থেকেই পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া সম্ভব।

কিন্তু সাপ্লিমেন্টের ক্ষেত্রে মাত্রা না বুঝে খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের কিডনির কার্যক্ষমতা কম, তাঁদের শরীর অতিরিক্ত ম্যাগনেশিয়াম যথেষ্ট দ্রুত বের করে দিতে পারে না। ফলে রক্তে ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

অতিরিক্ত ম্যাগনেশিয়াম গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে দেখা দিতে পারে—

  • ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা
  • বমি বমি ভাব
  • পেটের সমস্যা বা পেটে অস্বস্তি
  • দুর্বল লাগা
  • মাথা ঘোরা

মাত্রা অত্যন্ত বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে। রক্তচাপ কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা এবং চরম ক্ষেত্রে হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকারিতায় সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

‘গামি’ বা চিউয়েবল বলেই কি নিরাপদ?

একেবারেই নয়। কোনও সাপ্লিমেন্ট দেখতে মিষ্টি বা টফির মতো হলেই সেটি ইচ্ছেমতো খাওয়া নিরাপদ—এমন ধারণা ভুল। একটি পণ্যে কতটা elemental magnesium রয়েছে, সেটি জানা গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ধরনের ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্টে শোষণ ও সহনশীলতার পার্থক্যও থাকতে পারে।

তাই শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও স্বাস্থ্য-ট্রেন্ড দেখে সাপ্লিমেন্ট শুরু না করে নিজের প্রয়োজন এবং মোট দৈনিক গ্রহণের পরিমাণ সম্পর্কে চিকিৎসক বা যোগ্য স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

খাবার থেকেই মিলতে পারে ম্যাগনেশিয়াম

ম্যাগনেশিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস হিসেবে বাদাম ও বীজ, ডাল, সম্পূর্ণ শস্য, শাকসবজি এবং কিছু অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা যায়। সুষম খাবারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়ার চেষ্টা সাধারণত প্রথম পদক্ষেপ।

তবে কারও ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি থাকলে বা বিশেষ কোনও চিকিৎসাগত কারণে সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ধরন ও মাত্রা বেছে নেওয়াই নিরাপদ।

You may also like

Leave a Comment